আমরা কেন “আমি তোমার গল্প হবো” দেখবো?

প্রতিবার ভ্যালেন্টাইন এলেই ক্লোজআপ” কাছে আসার গল্প” নামে একটি ক্যাম্পেইন আয়োজন করে। এবারো তারা খুব দারুন কিছু গল্প দিয়ে সাজিয়েছিল তিনটি ভিন্ন মুখী নাটক দিয়ে খুব ডিফারেন্ট এঙ্গেলের তিনটি নাটক ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে উপভোগ করেছি আমরা। তিনটির মধ্যে আমার সবচাইতে বেশী ভালো লেগেছে মাবরুর রশীদ বান্নাহ এর পরিচালনায়” আমি তোমার গল্প হবো” এই নাটকটি দিনশেষে আমরা সবাই তো কারো না কারো গল্প। সে হিসেবে নাম টি খুব সুন্দর হয়েছে। এবার একটু ডিটেইলস যাই আমি তোমার গল্প হবো নাটকটি এতো জনপ্রিয়তা দর্শক প্রিয়তার কারন হচ্ছে গল্পের স্টোরি টেলিং। বান্নাহ সাহেব একটানা একটি খুব ভিন্নধর্মী গল্প বলার চেষ্টা করে গেছেন

তরুন অভিনেতা তাওসিফ ও এই সময়কার হার্ট থ্রব তরুনী টয়া কে গল্পে দেখা গিয়েছে খুব ভিন্ন ধর্মি দুইটা প্লাটফর্ম হাটতে। একজন ওয়েল এস্টালব্লিস্টড ফটোগ্রাফার মাহবুব আর আরেকজন সদ্য নতুন ওয়েডিং প্ল্যানার জারা। তারা দুইজন ছিলেন সাপে নেউলে সম্পর্ক একজনের ছায়া ও আরেকজন পাড়াতে পারতেন না। লিটারেলি এই জিনিস টা খুব মজা পেয়েছি। প্রেম ভালোবাসার চেয়ে আমরা ঝগড়াঝাঁটি বেশী পেয়েছি গল্পে এটাই ছিল এই গল্পেএ স্টাইল এবার আমি পয়েন্ট আকারে কিছু জিনিস নোট করে দিচ্ছি কেন আমার এতো ভালো লেগেছে :

১. প্রথমতো খায়রুল হাসানের গল্প নিয়ে বানানো মাবরুর রশীদ বান্নাহ এর ” আমি তোমার গল্প হবো” নাটকটি ছিল অসাধারন কনসেপ্ট এর গল্প। লুতুপুতুর বাইরে এসে নতুন কিছু দেখা গিয়েছে

২. গল্প বলার ধরন ছিল যথেষ্ট স্মার্টলি এবং অসাধারণ সব জায়গায় ফোকাস করে পরিচালক জাত চিনিয়ে গেছেন ৩.অভিনেতা এবং অভিনেত্রীদের পারফর্ম ছিল হাই লেভেলের। টয়া গল্পের বিভিন্ন মার প্যাচ ধরে ধরে গল্প যথেষ্ট সজাগ ছিলেন

৪. ৩০ মিনিটের গল্প হলেও আমার কাছে মনে হয়েছে মাত্র ১৫ মিনিটে শেষ হয়ে গেছে। সুতরাং আরো কিছুক্ষন দেখার আক্ষেপ টা কিন্তু থেকেই যাচ্ছে

৫.এডিট এবং সাউন্ড দুর্দান্ত লেভেলের। যা আশা করে ছিলাম তার থেকে হাজারগুন বেটার পেয়েছি। লাইটিং আনক্সপেক্টেড রকমের ভালো লেগেছে।কালার গ্রেডিং ছিল যথেষ্ট লেভেলের হাই

৬. বাড়িয়ে না বললে আমি নেটফিলক্স আর এম্যাজন ভিডিও র ফিলিং পেয়েছি এই ত্রিশ মিনিটের গল্পে।

৭.বাচ্চা মেয়েটার অভিনয় আমার মুগ্ধতা হাজারগুন বাড়িয়ে দিয়েছে ” আমি তোমার গল্প হবো” নাটক টায়

৮. প্রত্যেকটা ক্যারেক্টার নিজ নিজ জায়গা থেকে গল্পে ঢুকে পড়েছেন এবং ভালোমতো খেলে গেছেন পুরো ত্রিশ মিনিট জুড়ে

৯. সবশেষে মিনার রহমানের গান নিয়ে একটু বলি যাস্ট এমেজিং সব এড়িয়ে গেলেও গান আপনাকে স্ক্রিনে টেনে রাখতেই বাধ্য করবে।

 

ছবি কৃতজ্ঞতায়ঃ অপূর্ব অভি

Leave a Reply