তেত্রিশ টা ইন্টারভিউ দেয়া এক শহুরে খুব চেনা যুবকের গল্প

তেত্রিশ টা ইন্টারভিউ দেয়ার পর একটা ছেলে আবিষ্কার করলো তার দীর্ঘদিন বসবাস করা মানুষটি আর সহ্য করতে পারছেন না। বাবার মতো ভাবা মানুষ টা সেই খালু ই একদিন ভাতের খোটা দিচ্ছে।থাকার খোটা দেয়া শুরু করেছে। মাটির দিকে তাকিয়ে সব মেনে নেওয়া ছেলে টা সবকিছু মেনে নিতে পারলেও চাকুরি না পাবার বেদনা মেনে নিতে পারে না। তারিন রা যুগে যুগে এসব অনিক দের পাশে ছিল। মাঝখানে দেয়াল হয়ে বাধা তারিনদের এসব বাবা সবসময় এসে শুধু গিট্টু লাগিয়েছে। চাকুরি একটা সোনার হরিন যার পেছনে ঘুরতে অনেকে সময় নষ্ট করা যুবক এসব চৌধুরি সাহেবদের কাছে ফিরতে হয়। আর চৌধুরি সাহেব রা যুগে যুগে সুযোগ লুফে নেয় অপূর্ব কে একা পেয়ে চৌধুরি সাহেব প্রপোজাল দিয়ে বসে অপূর্ব গাধার মতো হা করে বসে থাকে। যা বাংলা সিনেমার মতো ছিল এইটুকো মজা পেয়েছি শেষটা ছিল অনেক আনকমন একটা থিম নিয়ে।অনিক নিজে ও বুঝে না কি থেকে কি হয়ে যায়। বেশ চাপা উত্তেজনা নিয়ে শেষ করতে হয়েছে অনলাইন হাইপ তুলা মাবরুর রশীদ বান্নাহ এর ” বেকার”

Leave a Reply